মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ (১৬ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের মুখোমুখি হয় সিলেট স্ট্রাইকার্স। ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নেন কুমিল্লার অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে সিলেট স্ট্রাইকার্স করে ১৭৫ রান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান করে ৪ বল হাতে রেখেই জিতে যায় কুমিল্লা। এটি চতুর্থবারের মতো শিরোপা জয় দলটির।
ইনিংসে লিটন ফিফটি করে আউট হয়ে ফিরলেও দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন শেষের ঝড়ে সিলেটকে টালমাটাল করে দেওয়া চার্লস। শেষ ২৪ বলে কুমিল্লার দরকার পড়ে ৫২ রান। রুবেল হোসেনের হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক মাশরাফি। ওই ওভারেই ম্যাচটা চলে যায় কুমিল্লার হাতে। জীবন পাওয়া জনসন চার্লস আর মঈন আলি মিলে ওভারে তুলে নেন ২৩ রান।
শেষ পর্যন্ত এই জুটিই ম্যাচ বের করে নিয়ে এসেছে। চার্লস ৫২ বলে ৭ চার আর ৫ ছক্কায় ৭৯ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে দেন। ১৭ বলে ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন মঈন আলি।
এদিন আগে ব্যাটিং সিলেট ইনিংস ছিল কেবলই নাজমুল হোসেন শান্ত এবং মুশফিকুর রহিমজুড়ে। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে অসাধারণ ক্রিকেট খেলা শান্ত ফাইনালের মঞ্চেও ছিলেন সিলেটের অন্যতম ভরসার নাম। খেলেছেন ৬৪ রানের অসাধারণ এক ইনিংস। ৪৫ বলে ৯টি চার ও একটি ছয়ে এই রান করেছিলেন শান্ত।
এই ইনিংসের সুবাদে চলতি বিপিএলে পাঁচশো রানের মাইলফলক পেরিয়ে গেছেন শান্ত। করেছেন সর্বমোট ৫১৬ রান। বাংলাদেশিদের মধ্যে যা বিপিএলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ। শান্ত এই ইনিংস খেলার পথে মুশফিকুরের সঙ্গে গড়েন ৭৯ রানের জুটি।
মুশফিকও খেলেন ৭৪ রানের অসাধারণ এক অপরাজিত ইনিংস। ৪৮ বলে ৫টি চার ও ৩টি ছয়ে ইনিংসটি সাজান এই ক্রিকেটার। এই দুই ব্যাটসম্যান ছাড়া রায়ান বার্ল কেবল ১৩ রান করতে পারেন। অন্যরা সকলেই আউট হয়ে যান সিঙেল ডিজিটে।