এবার দিনাজপুরের হিলিতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের ঝাল কমেছে অর্ধেক। কেজি প্রতি দাম কমেছে ১০০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে গত শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) যে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি পাইকারি বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকায়, ৯ সেপ্টেম্বর সেই কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। বিক্রেতারা বলছেন, কয়েকদিন ধরে বাজারে কাঁচামরিচের সরবরাহ বেড়ে গেছে। তাই দামও কমেছে। এদিকে দাম কমায় স্বাস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মাঝে। শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) হিলিবাজারে কাঁচা মরিচ ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
সকাল হিলি বাজারে কথা হয়, কাঁচামরিচ কিনতে আসা কালিগঞ্জ গ্রামের মো. ভুট্টু মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘অনেকদিন পর আজ ২৫০ গ্রাম কাঁচামরিচ কিনলাম। আজ একটু দাম কম দেখছি। তাই ৩০ টাকা দিয়ে ২৫০ গ্রাম কিনলাম। এর আগেতো ১০০ গ্রামের বেশি কাঁচা মরিচ কিনতেই পারিনি। তখন ছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি। ২০ টাকা বা ২২ টাকা দিয়ে ১০০ গ্রাম কাঁচা মরিচ কিনতে হয়েছে।’
আরেক ক্রেতা মো. জামাল হোসেন বলেন, ‘কিছুদিন ধরেতো বাজারের তালিকা থেকে কাঁচা মরিচ বাদ দিয়েছিলাম। আজ দেখি ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তাই ২৫০ গ্রাম কিনেছি।’
খুচরা কাঁচামরিচ বিক্রেতা মো. আশরাফ আলী বলেন, ‘কাঁচাপণ্যের দাম একেক সময় একেক রকম যায়। বাজার নির্ভর করে সরবরাহের ওপরে। কাঁচামরিচও কাঁচা পণ্য। যখন বাজারে সরবরাহ বাড়ে, তখন দাম কমে। আবার যখন সরবরাহ কমে, তখন দাম বেড়ে যায়। গত সপ্তাহে যে কাঁচামরিচ বিক্রি করি ২০০ টাকা কেজি দরে । এই সপ্তাহে বিক্রি করছি ১২০ টাকা কেজি দরে।’
পাইকারি কাঁচা মরিচ বিক্রেতা মো. সাদ্দাম হোসেন ঢাকা বিজনেসকে বলেন, ‘হিলিতে কাঁচামরিচসহ সবজির আবাদ কম হয়। আমাদের পাশের উপজেলা বিরামপুর বা পাঁচবিবি থেকে এসব পণ্য কিনে আনতে হয়। গত সপ্তাহে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ কিনে এনে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করি। আর খুচরা বিক্রেতরা কেউ ২০০ টাকা আবার কেউ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে। এ সপ্তাহে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমে গেছে। ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে কিনে এনে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। আর খুচরা বিক্রেতরা প্রতিকেজি বিক্রি করছেন ১২০ টাকা কেজি দরে।’
সাদ্দাম হোসেন আরও বলেন, ‘কাঁচা মরিচের মতো প্রতিটি কাঁচা পণ্যের দাম সরবরাহের ওপর ওঠানামা করে। কোনো বিক্রেতাই ইচ্ছে করে দাম বেশি নেন না।’
ঢাকা বিজনেস/এনই/