দিনাজপুরের হিলিতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম কমেছে কেজিতে ৬০ টাকা। গেলো সোমবার (২২ জুলাই) প্রতিকেজি কাঁচামরিচ ২২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আর সোমবার (২৯ জুলাই) প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি দরে। ক্রেতারা বলছেন, বর্তমানে কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমেছে। তবে ১০০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে থাকলে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য ভালো হতো।
বিক্রেতারা বলছেন, হিলি যেসব কাঁচামরিচ বিক্রি হয়, সবই ভারত থেকে আমদানি করা। কাঁচামরিচের দাম নির্ভর করে আমদানির ওপর। আমদানি কম হলে দাম বাড়ে। আবার আমদানি বেশি হলে দাম কমে।
সোমবার (২৯ জুলাই) হিলিবাজারে কথা হয় সবজি কিনতে আসা মো. মোফাজ্জল হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমেছে। আরও কমলে ভালো হতো। আমি গত সোমবার ৫৫ টাকা দিয়ে ২৫০ গ্রাম কাঁচামরিচ কিনি। কিন্তু আজ বাজারে এসে দেখছি কেজিতে ৬০ টাকা কমেছে কাঁচামরিচের দাম। ৪০ টাকা দিয়ে ২৫০ গ্রাম কাঁচামরিচ কিনলাম।’
আরেক ক্রেতা মো. আজিজুল হক বলেন, ‘কয়েকদিনের চেয়ে আজ অন্যান্য সবজির দাম একটু কমেছে। কিন্তু কাঁচামরিচের দাম যদিও কেজিতে ৬০ টাকা কমেছে। তাও সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাহিরে। গেলো সপ্তাহে প্রতিকেজি কাঁচামরিচ ২২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এ সপ্তাহে কেজিতে ৬০ টাকা কমে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।’
আজিজুল হক আরও বলেন, ‘কাঁচামরিচের দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজির মধ্যে থাকলে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য সুবিধা হতো।’
কাঁচা মরিচ বিক্রেতা মো. সাদ্দাম হোসেন ঢাকা বিজনেসকে বলেন, ‘হিলিবাজারে বিক্রি হওয়া সব কাঁচামরিচ ভারত থেকে আমদানি করা। গেলো সপ্তাহে ২০০ টাকা কেজি কিনে ২২০ টাকায় বিক্রি করেছি। আজ ১৪০ টাকা কেজি দরে কিনে ১৬০ টাকায় বিক্রি করছি। কেজিতে ৬০ টাকা কমেছে।’
সাদ্দাম হোসেন আরও বলেন, ‘কাঁচামরিচের দাম নির্ভর করে আমদানির ওপর। যখন আমদানি কমে যায়, তখন দাম বাড়ে। আবার যখন আমদানি বাড়ে, তখন দাম এমনিতেই কমে আসে।’