কোরবানি ঈদের এখনো প্রায় একমাস বাকি। তার আগেই দিনাজপুরের হিলিতে বেড়েছে আদা-রসুনের দাম কেজিতে ৪০ টাকা। একসপ্তাহ আগে শনিবার (১৮ মে) প্রতিকেজি আদা ২৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর শনিবার (২৫ মে) বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়। প্রতিকেজি রসুন ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়।
কোরবানি ঈদের একমাস আগে দাম বৃদ্ধিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এটা ব্যবসায়ীদের কারসাজি। তারা অধিক মুনাফার আশায় আদা মজুদ রেখে দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। আর বিক্রেতারা বলছেন, আমরা ভারতীয় আদাও চায়না রসুন বিক্রি করি। আমদানিকারকদের কাছ থেকে আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে।
আদা কিনতে আসা পালপাড়া গ্রামের বাবু হোসেন বলেন, ‘কোরবানি ঈদের আগে হঠাৎ করেই আদার দাম বেড়ে গেছে। গত শনিবার প্রতিকেজি আদা বিক্রি হয়েছিল। ২৪০ টাকা কেজি দরে। আমি ৬০ টাকা দিয়ে ২৫০ গ্রাম আদা কিনি। আর আজ শনিবার বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা কেজি দরে। ৭০ টাকা দিয়ে ২৫০ গ্রাম আদা কিনতে হলো।’
আরেক ক্রেতা ধরন্দা গ্রামের গোলাম মোর্শেদ বলেন, ‘প্রতিবছর কোরবানি ঈদের আগে সব ধরনের মসলার দামে বাড়ে। এবারও বেড়েছে। গেলো শনিবার প্রতিকেজি রসুন কিনি ২০০ টাকা কেজি দরে। আর আজ শনিবার কিনতে হলো ২৪০ টাকা কেজি দরে।’
গোলাম মোর্শেদ আক্ষেপ করে বলেন, ‘হিলিবন্দর দিয়ে প্রতিদিন আদা আসছে। কিন্তু আমদানিকারক ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা মজুদ রেখে বেশি দামে বিক্রি করছেন।’
আদা-রসুন বিক্রেতা মো. মোকারম হোসেন ঢাকা বিজনেসকে বলেন, ‘আদা হিলিবন্দর দিয়ে আমদানি হয়। আর চায়না রসুন আমদানি হয় অন্যদিকে দিয়ে। পাইকারি বিক্রেতাদের কাছ থেকে একসপ্তাহ আগে এতিকেজি আদা ২২০ টাকায় কিনে ২৪০ টাকায় বিক্রি করি। আর রসুন ১৮০ টাকা কেজি দরে কিনে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করি।’
মোকারম হোসেন আরও বলেন, ‘এখন কিনতেই পড়ছে প্রতিকেজি আদা ২৬০ টাকা এবং রসুন কিনতে পড়ছে ২২০ টাকা। আমরা কেজিতে ২০ টাকা লাভ রেখে বিক্রি করছি। এ কারণেই আদা-রসুনের দাম বেড়েছে।’
ঢাকা বিজনেস/এনই