দিনাজপুরের হিলিতে আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে আমন ধান আবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছেন কৃষকেরা। জমিতে প্রথম দফার চাষ (কর্ষণ) শুরু করেছেন অনেকে। কৃষকেরা বলছেন, টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে জমিতে পানি জমেছে। তাই তারা প্রথম চাষের কাজ শুরু করেছেন। এরপর আরও দুই বার চাষ দেওয়ার পর জমিতে চারা রোপণ করা হবে। আর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলছেন, চলতি আমন মৌসুমে ৮ হাজার ১১৭ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষকেরা ইতোমধ্যে আমন ধান আবাদের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।
মনসাপুর গ্রামের কৃষক মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘আমি এবার আমন মৌসুমে নিজের ৫ বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করবো। তাই প্রথম দফার চাষ শুরু করেছি। এরপর আরও দুই বার চাষ দিতে হবে। তারপর জমিতে চারা রোপণ করা হবে।’
মাসুদ রানা আরও বলেন, ‘এবার প্রতিবিঘা জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে একবার চাষ দিতে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা লাগছে।’
পাউশগাড়া গ্রামের কৃষক মো. হারুনুর রশিদ বলেন, ‘আমি নিজের ২ বিঘা জমির পাশাপাশি বর্গা নেওয়া আরও দুই বিঘা জমিতে আমন আবাদ করার জন্য সব প্রস্তুতি নিচ্ছে। টানা কয়েকদিন বৃষ্টিতে মাঠে পানি জমেছে। তাই প্রথম দফার চাষ সেরে রাখছি। বর্ষার আকাশ তো সময়মতো বৃষ্টি না হলে চাষ করা কঠিন হয়ে পড়বে।’
হাকিমপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মোছা. আরজেনা বেগম ঢাকা বিজনেসকে বলেন, ‘চলতি আমন মৌসুমে হাকিমপুর উপজেলার ১ পৌরসভাসহ ৩ টি ইউনিয়নে ৮ হাজার ১১৭ হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’
আরজেনা বেগম আরও বলেন, ‘আমন ধান রোপণে কৃষকদের উৎসাহিত করতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রণোদনা হিসেবে থেকে ১ হাজার কৃষককে বিনামূল্যে সার-বীজসহ কীটনাশক দেওয়া হয়েছে।’